জাকাত দেওয়ার নিয়ম, জেনে নিন যাকাতের মাসআলা সমূহ!

Spread the love

প্রিয় পাঠক! এই প্রবন্ধ থেকে আপনি ‘জাকাতের পরিচয়, জাকাতের পারিভাষিক অর্থ, যাকাতের বিধান, জাকাত কার উপর ফরজ, নেসাব কাকে বলে, কাদেরকে যাকাত দেয়া যাবে,কাকে যাকাত দেয়া যাবেনা ইত্যাদিসহ যাকাতের মাসআলা মাসায়িল সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারবেন।

যাকাতের পরিচয়ঃ
‘যাকাত’ শব্দ। এর আভিধানিক অর্থ হল, পবিত্রতা ও প্রবৃদ্ধি।

শরীয়তের পরিভাষায় ‘যাকাত’ বলা হয়, সেই বিশেষ আর্থিক দানকে যা বিশেষ পরিমাণে সম্পদশালী সকল মুসলিমের উপর ফরয হয়।

নিসাব পরিমাণ সম্পদের উপর একবছর অতিক্রান্ত হওয়ার পর এর একটি নির্দিষ্ট অংশ কোনাে ফকির বা অনুরূপ ব্যক্তির মালিকানায় দিয়ে দেওয়াকে শরিয়তের পরিভাষায় জাকাত বলা হয়। কারাে কারাে মতে, মালের যে অংশ ফকিরের জন্য আলাদা করা হয়, ঐ অংশকে যাকাত বলে ।

যাকাত একটি আর্থিক ইবাদাত এবং ইসলামের পাঁচটি মৌলিক বিধানের একটি। যাকাতের মধ্যে রয়েছে মানবজাতির ইহকালীন ও পরকালীন অনেক উপকার ও কল্যাণ। জাকাতের মাধ্যমে মানুষের অর্থ-সম্পদ পবিত্র হয় এবং প্রবৃদ্ধি পায় বিধায় এর নাম রাখা হয়েছে ‘জাকাত’।
কুরআন, সুন্নাহ এবং ইজমায়ে উম্মত দ্বারা যাকাত ফরয হওয়া প্রমাণিত। যে ব্যক্তি যাকাতের বিধান অস্বীকার করবে, সে কাফির হয়ে যাবে। আর যে ব্যক্তি অবহেলা করে যাকাত আদায় করবেনা, সে ব্যক্তি ফাসিক এবং কঠিন শাস্তিযোগ্য হবে। পূর্ববর্তী নবীগণের উম্মতের উপরও যাকাতের বিধান ফরয ছিল।

প্রশ্ন: যাকাত কার উপর ফরজ?
জবাব : যদি কোনো সাবালক সজ্ঞান মুসলমান ‘নেসাব’ পরিমাণ মালের মালিক হয় তাহলে চান্দ্র মাস হিসেবে সেই নেসাব পরিমাণ মাল একবছর নিজের মালিকানায় থাকলে বছর শেষে যাকাত আদায় করা ফরয হয়ে যায়।

প্রশ্নঃ ‘নেসাব’ কাকে বলে?
জবাব: ঋণ ও মৌলিক প্রয়ােজনের অতিরিক্ত ৭.৫ (সাড়ে সাত তােলা স্বর্ণ) বা ৮৫ গ্রাম সোনা কিংবা ৫২.৫ (সাড়ে বায়ান্ন তােলা রোপা) ৫৯৫ গ্রাম রুপা অথবা তৎসমমূল্যের নগদ টাকা বা ব্যবসার মালের মালিক হলে নেসাব পরিমাণ মালের মালিক বলে।

প্রশ্নঃ মৌলিক প্রয়োজন কি?
উত্তরঃ মৌলিক প্রয়োজন দ্বারা উদ্দেশ্য, নিজের অথবা পরিবারের নিত্যপ্রয়ােজনীয় বস্তু যথাঃ খাদ্য, বাসস্থান, পরিধেয় বস্ত্র, ঘরের আসবাবপত্র, যানবাহন, চিকিৎসা, খিদমতের দাস, সমরাস্ত্র ইত্যাদি। সুতরাং এগুলাে বাবত খরচ করার পর ঋণ অতিরিক্ত যা অবশিষ্ট থাকে তা যদি নিসাব পরিমাণ হয় তাহলে যাকাত দিতে হবে।

প্রশ্নঃ ব্যক্তিগত ব্যবহারের দ্রব্যাদির উপর যাকাত আছে কি?
উত্তর: ব্যক্তিগত ব্যবহারের দ্রব্যাদির উপর যাকাত নেই। ব্যক্তিগত বাড়ী, অথবা বাড়ী নির্মাণের জন্য প্লট এবং ব্যক্তিগত ব্যবহারের দ্রব্যাদি যথাঃ কার, ফার্ণিচার, ফ্রিজ, আত্মরক্ষামূলক অস্ত্র স্বস্ত্র, এবং ঘোড়া ইত্যাদি এগুলো যত মূল্যেও হোক না কেন তাতে যাকাত দিতে হবে না। চাষের জন্য ব্যবহৃত পশুতেও যাকাত দিতে হবেনা।

প্রশ্নঃ মহিলাদের ব্যবহৃত গহনা অলংকারের যাকাত দিতে হবে কিনা?
উত্তরঃ হ্যাঁ, ব্যবহৃত গহনার যাকাত দিতে হবে, যদি তা নিসাব পরিমাণ হয় অঅর্থাৎ সাড়ে সাত ভরি পরিমাণ হয়ে থাকে।

প্রশ্নঃ স্ত্রীর যাকাত কে দেবে?
উত্তরঃ স্ত্রীর যাকাত স্ত্রী নিজে দেবে।
তবে স্বামী যদি তাকে হেল্প করে অর্থাৎ স্বামী তাঁর স্ত্রীর পক্ষ থেকে জাকাত আদায় করে দেয় তাহলেও হয়ে যাবে। অনেকের প্রশ্ন থাকে যে, স্ত্রীর কাছে তো নগদ অর্থ থাকে না তাহলে কিভাবে দিবে, এর উত্তর হল, সে পরিমাণ মতো স্বর্ণ বিক্রি করে যাকাত আদায় করে দিবে।অথবা স্বামী, বাবা, ভাই,ছেলের কাছে অনুরোধ করে তাদের মাধ্যমে আদায় করে নিবে।

যাকাতের নেসাব সম্পর্কে একটু বিস্তারিত:

শুধু সোনা:
১। যদি কারও নিকট শুধু সােনা থাকে,
রূপা, টাকা পয়সা ও ব্যবসায়িক পণ্য কিছুই না থাকে, তাহলে সাড়ে সাত তােলা বা তার বেশী (সােনা) থাকলে এক বৎসর পার হওয়ার পর তার উপর যাকাত ফরয হয়।

শুধু রুপা:
২। যদি কারও নিকট শুধু রুপা থাকে, সােনা, টাকা পয়সা ও ব্যবসায়িক পণ্য কিছুই না থাকে, তাহলে সাড়ে বায়ান্ন তােলা রুপা থাকলে এক বৎসর পার হওয়ার পর তার উপর যাকাত ফবয় হয়।

শুধু টাকা পয়সা:
৩। যদি কারও নিকট শুধু টাকা পয়সা থাকে- সোনা, রুপা ও ব্যবসায়িক পণ্য কিছু না থাকে, তাহলে সাড়ে সাত তােলা সােনা বা সাড়ে বায়ান্ন তােলা রুপার যে কোন একটার মূল্যের সমপরিমাণ থাকলে বৎসর পার হওয়ার পর তার উপর যাকাত ফরয হবে।

শুধু ব্যবসায়ীক পণ্য:
৪। যদি কারও নিকট ব্যবসায়ীক মালামাল থাকে, সােনা, রুপা, টাকা পয়সা কিছুই নেই,তাহলে ব্যাবসার মালের উপরেই যাকাত আসবে, যদি ব্যবসার মালামালের বিক্রয় মূল্য সাড়ে সাত তোলা রূপা বা সাড়ে বায়ান্ন তোলা রূপার মূল্যের সমপরিমাণ হয়ে যায় এবং এক বৎসর পার হয়।

সোনা, রুপা, টাকা-পয়সা ও ব্যবসার মালের মিশ্রণ:
৫। যদি কারও নিকট কিছু সােনা থাকে, কিছু রুপা থাকে এবং কিছু টাকা পয়সা ও কিছু ব্যবসায়িক পণ্য থাকে, যেমন সাধারণত হয়ে থাকে, তাহলে এক্ষেত্রে সােনার সাড়ে সাত তােলা বা রুপার সাড়ে বায়ান্ন তােলা দেখা হবে না বরং সােনা, রুপা এবং টাকা-পয়সা ও ব্যবসায়িক পণ্য যা কিছু আছে সবটা মিলে যদি সাড়ে সাত তেলা সােনা বা সাড়ে বায়ান্ন তােলা রুপার যে কোন একটার মূল্যের সমপরিমাণ হয়ে যায়, তাহলে বৎসর পার হওয়ার পর তার উপর যাকাত ফরজ হবে।

প্রশ্নঃ যাকাতের অংশ কতটুকু?
উত্তর: যে অর্থ-সম্পদে যাকাত আসে সে অর্থ সম্পদের ৪০ ভাগের ১ ভাগ যাকাত আদায় করা ফরয। মূল্যের আকারে নগদ টাকা দ্বারা বা টাকা দ্বারা কোন আসবাবপত্র ক্রয় করে তা দ্বারাও যাকাত দেয়া যায়।

প্রশ্নঃ কত টাকায় কত টাকা যাকাত আসে?উত্তর: আমরা জেনেছি যে নেসাব পরিমাণ মালের ৪০ ভাগের একভাগ যাকাত অর্থাৎ ২.৫০%শতাংশ যাকাত দিতে হয়। এহিসেবে প্রতি ১০০ টাকাতে আড়াই টাকা যাকাত। প্রতি ১০০০ টাকায় ২৫ টাকা যাকাত। প্রতি ১০,০০০(দশহাজার) টাকায় ২৫০ টাকা যাকাত। ১০০,০০০ (একলক্ষ টাকার যাকাত) ২৫০০ (আড়াই হাজার টাকা)।

প্রশ্নঃ বৎসর গণণা হবে কোন ক্যালেন্ডার অনুযায়ী?
উত্তরঃ আরবী বা চান্দ্র হিজরী ক্যালেন্ডার অনুযায়ী। যখন থেকে কেউ নেসাব পরিমাণ অর্থসম্পদের মালিক হবে, তখন থেকেই তার যাকাতের বৎসরের শুরু ধরতে হবে। যেমন: এক মুহাররম থেকে অপর মুহাররম। এক রমজান থেকে অপর রমজান অর্থাৎ ৩৫৫ দিন হলে একবছর হবে। ৩৫৫ দিনে চন্দ্র মাস হয়। আর ইংরেজি মাস ৩৬৫ দিনে হয়।

প্রশ্নঃ সোনা, রুপা ও ব্যবসায়ীক পণ্যের ক্রয়মূল্য নাকি বিক্রয়মূল্য অনুযায়ী যাকাত প্রদান করা হবে?

উত্তরঃ বর্তমান বাজার মূল্য বা বিক্রয়মূল্য অনুযায়ী যত টাকা আসে ততটাকা যাকাত প্রদান করতে হবে। সোনা-রুপা, ব্যবসার মাল বাজারে বিক্রি করতে গেলে যে দাম উঠবে সে দাম অনুযায়ী যাকাত হিসেব করতে হবে।

প্রশ্নঃ যাকাত কোন শ্রেণীর মানুষকে দেয়া যাবে?
উত্তর: কোরআনে আল্লাহ নিম্নোক্ত কয়েকশ্রেণীর মানুষের কথা উল্লেখ করেছেন-

ক) ফকির: এমন ব্যক্তিকে বলা হয়, যে নিজের জীবিকার ব্যাপারে অন্যের মুখাপেক্ষী।যেমন, ভিক্ষুক, এতীম শিশু, বিধবা নারী, উপার্জনে অক্ষম বা উপার্জনহীন বেকার লোক এবং এমন সব লোক যারা সাময়িক দুর্ঘটনার শিকার হয়েছে। যাদের নিকট সন্তান – সন্ততির প্রয়ােজন পূরণ করার মত সম্বল নেই অথবা যাদের নিকট যাকাত ওয়াজিব হওয়ার পরিমাণ অর্থ সম্পদ নেই তাদেরকে দেয়া যায়। তাদেরকেই ফকীর বলে।

খ) মিসকীন: শব্দের মধ্যে দ্বীনতা, দুর্ভাগ্য পীড়িত অভাব, অসহায়তা ও লাঞ্ছনা অর্থ নিহিত রয়েছে। এদিক দিয়ে বিচার করলে সাধারণ অভাবীদের চাইতে যাদের অবস্থা বেশী খারাপ তারাই মিসকীন। অর্থাৎ সে একজন সম্ভ্রান্ত ও ভদ্র গরীব মানুষ। যারা প্রচলিত ভিক্ষুক নয়। খুবই কষ্ট করে দিনাতিপাত করে।

গ) যাকাত উসুলকারীঃ
যারা যাকাত আদায় করা এবং আদায় করা ধন-সম্পদ সংরক্ষণ করা, সে সবের হিসেব-নিকেশ করা, খাতাপত্রে লেখা এবং লোকদের মধ্যে বণ্টন করার কাজে সরকারের পক্ষ থেকে নিযুক্ত থাকে। ফকীর বা মিসকীন না হলেও এসব লোকের বেতন সর্বাবস্থায় সাদকার খাত থেকে দেয়া হবে।

ঘ) ঋণগ্রস্তঃ
যে ব্যক্তি ঋণগ্রস্ত। ঋণ পরিশোধ করতে অক্ষম। এমন ধরনের ঋণগ্রস্ত, যে নিজের সমস্ত ঋণ আদায় করে দিলে তার কাছে নেসাবের চাইতে কম পরিমাণ সম্পদ অবশিষ্ট থাকে অর্থাৎ ঋণ পরিশোধ করলে ঐ ব্যক্তির নিকট সাড়ে বায়ান্ন তোলা রূপার মূল্যের চাইতে কম সম্পদ থাকে তাহলে তাকে যাকাত প্রদান করে ঋণমুক্ত করা যাবে।
(বি:দ্র: বেশ কিছু সংখ্যক ফকীহ এ মত পোষণ করেছেন যে, অসৎকাজে ও অমিতব্যয়িতা করে যারা নিজেদের টাকা পয়সা উড়িয়ে দিয়ে ঋণের ভারে ডুবে মরছে, তাওবা না করা পর্যন্ত তাদের সাহায্য করা যাবে না।)

ঙ) আল্লাহর পথেঃ
যারা দ্বীনের সংরক্ষণ ও প্রসার প্রচারের কাজে নিয়োজিত তাদেরকে যাকাতের অর্থ-সম্পদ দেয়া যাবে। যেমন: মুজাহিদ ব্যক্তিকে এবং যুদ্বের সরঞ্জাম ক্রয়ের জন্যে।

চ) মুসাফির ব্যক্তিকেঃ
মুসাফির তার নিজের গৃহে ধনী হলেও সফরের মধ্যে সে যদি সাহায্যের মুখাপেক্ষী হয়ে তাহলে যাকাতের খাত থেকে সাহায্য করা যাবে।

এছাড়াও যাদেরকে যাকাত দেয়া যাবে:
যাকাত দাতার ভাই -বােন, ভাতিজা – ভাতিজী, ভগ্নিপতি, ভাগিনা-ভাগনী, চাচা- চাচী, খালা-খালু, ফুপা-ফুফী, মামা-মামী, শ্বশুর-শাশুড়ী, জামাই, সৎবাপ প্রমুখ লােকেরা যদি গরীব হয়, তাহলে তাদেরকে যাকাত দেয়া যায় বরং এরূপ আত্মীয় – স্বজনকে যাকাত দেয়া উত্তম। পাশাপাশি উত্তম হল দ্বীনী প্রতিষ্ঠানের গরীব এতীম তালিবে ইলমদের জন্য দেয়া।

লক্ষণীয়, আপনজন-আত্বীয়-স্বজনকে যাকাত দিলে তাদেরকে এটা না বলা উত্তম যে, এটা যাকাতের অর্থ। কেননা এরূপ বললে তাদের মনে কষ্ট আসতে পারে । তাই যাকাত দেয়ার সময় মনে মনে নিয়ত করে নিবে যে আমি যাকাত দিচ্ছি কাউকে মুখে বলার প্রয়োজন নেই।

নিজের গরীব চাকর -নওকর বা কর্মচারীকেও যাকাত দেয়া যায়। তবে এটা তাদের বেতন বাবত কর্তন করা যাবে না।

প্রশ্নঃ কাদেরকে যাকাত দেয়া যায় না?
উত্তরঃ যার নিকট নেছাব পরিমাণ অর্থ , সম্পদ আছে তাকে যাকাত দেয়া যায় না।
পাশাপাশি যাকাত প্রদানকারী তার মা-বাপ, দাদা-দাদী, পরদাদা-পরদাদী, পরনানা-পরনানী ইত্যাদি উপরের সিড়িকে যাকাত দিতে পারবে না।

এমনি ভাবে যাকাত প্রদানকারী তার ছেলে-মেয়ে , নাতি -নাতনি, পােতা-পৌত্রী, ইত্যাদি নীচের সিড়িকেও যাকাত দিতে পারবে না।

স্বামী বা স্ত্রী একে অপরকে যাকাত দিতে পারে না।

প্রশ্নঃ অমুসলিমকে যাকাত দেওয়া যাবে কিনা? উত্তর: অমুসলিমকে যাকাত দেয়া যায় না।

যার উপর যাকাত ফরয হয় -এরূপ মালদার লােকের নাবালেগ সন্তানকেও যাকাত দেয়া যায় না।

মৃত ব্যক্তির দাফন – কাফনের জন্য বা মৃত ব্যক্তির ঋণ ইত্যাদি আদায়ের জন্য যাকাত দেয়া যায় না ।

সরকার যদি যাকাতের মাসআলা অনুযায়ী সঠিক খাতে যাকাতের অর্থ ব্যয় না করে , তাহলে সরকারের যাকাত ফান্ডেও যাকাত দেয়া যাবে না।

যাকাত দ্বারা মসজিদ মাদ্রাসার ষ্টাফকে (গরীব হলেও) বেতন দেয়া যায় না।

যাকাতের অর্থ মসজিদ বা মাদ্রাসার নির্মাণ খাতেও ব্যয় করা যাবে না।

সামাজিক কাজে তথা রাস্তা-ঘাট, ব্রিজ পাঠাগার ইত্যাদিতে যাকাতের অর্থ ব্যয় করা সহীহ হবে না।

অর্থাৎ যাকাতের অর্থ-সম্পদ নির্দিষ্ট কোনো অভাবী ব্যক্তিকে দিতে হবে। আমভাবে দিলে হবে না।

যাকাত সম্পর্কে আরও অনেক মাসআলা জানার রয়েছে। ওলামায়ে কেরাম থেকে সেগুলো জেনে নেওয়ার অনুরোধ রইল।

আমার ইশতিহার

Leave a Reply

Your email address will not be published.

RECENT POST

RELAED POST