কখন ফতোয়া প্রদান থেকে বিরত থাকা উচিৎ? জ্ঞান অর্জন না করে ফতোয়া প্রদান!

ইফতা বিভাগে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীবৃন্দ ও মুফতি সাহেবগণ, আজকের পোস্ট থেকে আমরা জানব ‘মুফতী সাহেব কখন ফতোয়া দেওয়া থেকে বিরত থাকবেন? অপ্রয়োজনীয় প্রশ্ন করা কি ? রুজু করার গুরুত্ব। ফতোয়া দানের নিয়মনীতি।

ফতোয়া দেয়া থেকে বিরত থাকা:
সব সময় সব ধরনের প্রশ্নের জবাব দেওয়া কোনো মুফতির জন্য ফতোয়া দেওয়া আবশ্যক নয়। যখন জবাব দেয়ার মধ্যে কোনো কল্যাণ বা উপকারিতা দেখবে এবং ফেতনা থেকে নিরাপদ হবে তখন জবাব দেবে।

১- যখন মুফতী সাহেবের এ আশংকা হবে যে, প্রশ্নকারী জবাব নিয়ে কোনো ফেতনা সৃষ্টি করবে বা এ মাসআলাতে ফতোয়া দেওয়াটা প্রকাশ্য কোনো বিশৃঙ্খলার কারণ হবে অথবা সে ফতোয়াটিকে ভিন্ন কোনো উদ্দেশ্যে ব্যবহার করবে তখন ফতোয়া দেওয়া থেকে বিরত থাকা উচিত। কেননা বিশৃঙ্খলা দূর করা বা স্বার্থ অর্জন করার চেয়ে অগ্রগণ্য। আ-জুররি রহ. বলেন, কোনো মাসআলা সম্পর্কে জিজ্ঞাসিত হওয়ার পর মুফতি সাহেব যদি অনুভব করতে পারেন যে, এ মাসআলা নিয়ে কোনো হাঙ্গামা বা হইচই আছে কিংবা এর মাধ্যমে মুসলমানদের মধ্যে ফেতনা সৃষ্টি করা হবে তাহলে তিনি বিনয়ের সাথে তা এড়িয়ে যাবেন এবং নম্রতার সাথে অন্য কারো কাছে পাঠিয়ে দেবেন।

২- প্রশ্ন যদি এমন বিষয় সম্পর্কে হয় যে বিষয়ে মনোনিবেশ করা অনুচিত কিংবা বিষয়টি অনর্থক অথবা জবাব জানার মধ্যে আমলের ক্ষেত্রে ফায়দা হবে না তাহলেও জবাব দেওয়া থেকে বিরত থাকবে। ইবনে আব্বাস রাযি. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাহাবীদের চেয়ে উত্তম কোনো জাতি দেখিনি। তাঁরা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে ইন্তেকালের আগ পর্যন্ত মাত্র ১৩টি প্রশ্ন করেছিলেন। সবগুলোই কুরআনের ব্যাপারে। আর তারা তাদের জন্য উপকার বয়ে আনবে কেবল এমন বিষয় সম্পর্কেই শুধু প্রশ্ন করতেন। হাদীসে মারফুতে আছে- ‘যারা অনর্থক বিষয় ও প্রশ্ন নিয়ে ব্যস্ত তারা ধ্বংস হোক। আমলি জীবনে যে সব বিষয়ের প্রয়োজন নেই, সেসব বিষয়ে বেশি প্রশ্ন করা সালাফে সালেহীনরা পছন্দ করতেন না। তাই জনসাধারণকে এধরনের বিষয়ে প্রশ্ন না করতে উৎসাহ দেওয়া এবং অর্থবহ বিষয়ের দিকে পথ প্রদর্শন করা মুফতীদের কর্তব্য। আহমদ বিন হিব্বান আল কাতীঈ বলেন, আমি একবার আবু আব্দুল্লাহ (ইমাম আহমদ রহ.) এর কাছে গেলাম। আমি তাকে জিজ্ঞেস করলাম, আপনি কি চুনের পানি দিয়ে অযু করা বৈধ মনে করেন? তিনি বললেন, আমি তা পছন্দ করি না।

তখন আমি বললাম, আপনি কি সবজির পানি দিয়ে অযু করা জায়েজ মনে করেন? তিনি উত্তর দিলেন, আমি তা পছন্দ করি না। তিনি বলেন, তারপর আমি দাঁড়িয়ে গেলাম। তিনি আমার কাপড় টেনে ধরে বললেন, তুমি মসজিদে প্রবেশ করার সময় কোন দোয়া পড়ো? আমি চুপ করে রইলাম। তিনি আবার বললেন, তুমি মসজিদ থেকে বের হওয়ার সময় কোন দোয়া পড়ো? তখনও আমি চুপ রইলাম। তখন তিনি বললেন, যাও, তুমি বরং গিয়ে এগুলো শেখো।

ইমাম আহমদ রহ. এর উদ্দেশ্য ছিল, সবজির পানি এবং চুনের পানি দিয়ে অযু করার মাসআলা সচরাচর প্রয়োজন হয় না। ফলে এইসব বিষয়ে মনোনিবেশ করা দোষনীয় সাব্যস্ত করলেন। কেননা প্রত্যেক দিন যেটা পাঁচবার প্রয়োজন হয় তথা মসজিদে প্রবেশ করার এবং মসজিদে থেকে বের হওয়ার দোয়া সেই ব্যাপারে সে অজ্ঞ।

একবার ইমাম আহমদ রহঃ কে ইয়াজুজ ও মাজুজ সম্পর্কে এ মর্মে প্রশ্ন করা হলো যে, তারা কি মুসলমান? তখন তিনি প্রশ্নকারীকে বললেন, তুমি কি অন্য সব বিষয়ে জেনে ফেলেছ আর এটা রয়ে গেছে? এ বিষয়ে কেন প্রশ্ন করছো? তাকে লিআন সম্পর্কিত একটি মাসআলা জিজ্ঞেস করা হলো। তখন তিনি বললেন, আল্লাহ তাআলা তোমার উপর রহম করুন, তুমি যে বিষয়ে আক্রান্ত সে ব্যাপারে প্রশ্ন করো।

ইবনে আবেদীন রহ. বলেন যে, জুলকিফল, জুলকারনাইন, লুকমান আ. নবী কি না? এ নিয়ে তর্ক বিতর্ক করা মাকরুহ। অপ্রয়োজনীয় বিষয় সম্পর্কে প্রশ্ন করা উচিত নয়। জিবরাইল আ. কিভাবে নামলেন? রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে কোন আকৃতিতে দেখেছেন? যখন তিনি তাকে মানুষের আকৃতিতে দেখেছেন তখন তিনি ফেরেশতা হিসেবে ছিলেন কি না? জান্নাত জাহান্নাম কোথায়? কখন কিয়ামত হবে? ঈসা আ. কখন আসবেন? ইসমাইল আ. উত্তম নাকি ইসহাক আ.? তাদের মধ্য থেকে জাবিহুল্লাহ কে? ফাতেমা রাযি. কি আয়েশা রাযি. থেকে উত্তম? নবীজির পিতা কোন্ ধর্মের অনুসারী ছিলেন? আবু তালিবের ধর্ম কী ছিল? মাহদী কে? ইত্যাদি এমনসব প্রশ্ন যা জানা আবশ্যক নয় এবং এ গুলো জানার দায়িত্বও দেওয়া হয়নি। এ ধরনের প্রশ্ন থেকে দূরে থাকবে।

৩- প্রশ্ন যদি এমন হয় যে, প্রশ্নকারীর বোধশক্তি তার জবাব ধারণ করতে পারবে না এবং এর সাথে তার আমলী কোনো প্রয়োজন সম্পৃক্ত নয় অথবা ওইসব মাসআলা যেগুলোতে অকাট্যভাবে কোনো সিদ্ধান্ত দেওয়া সম্ভব নয়, মুফতি সাহেব সেসব প্রশ্নের উত্তর দেবেন না। যেমন: মুতাশাবিহাত বা ইলমূল কালামের সূক্ষ্ম বিষয় নিয়ে কৃত কোনো প্রশ্নের জবাব দান থেকে বিরত থাকা উচিত। হযরত আলী ইবনে আবী তালিব রাযি. বলেন, লোকজন বুঝতে পারে এমন কথাই বলবে। তোমরা এটা চাও যে, আল্লাহ ও তাঁর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে মিথ্যা প্রতিপন্ন করা হোক? ইমাম আল-কারাফী রহ. বলেন, যদি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বা আল্লাহ তাআলাকে নিয়ে এমন প্রশ্ন করা হয় যে, প্রশ্নকারী মূর্খশ্রেণিভূক্ত হওয়ার কারণে সে প্রশ্ন তার সাথে উপযোগী নয়, অথবা যদি এমন কঠিন ও দুর্বোধ্য বিষয়ে প্রশ্ন করা হয় যেগুলোতে কেবল বড় বড় উলামায়ে কেরাম মনোনিবেশ করতে পারেন, তখন মুফতী সাহেব তাকে উত্তর দেবেন না। এ সকল বিষয়ের জবাব দিয়ে অস্বীকার করবেন এবং তাকে এ কথা বলে দেবেন যে, তোমার জন্য যা অর্থবহ ও উপকারী সে প্রশ্নের দিকে মনোযোগ দাও।

ইবনে শাফিঈ রহ এর ছেলে আলেপ্পোর বিচারক হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত হয়েছিলেন। তিনি একবার ইমাম আহমদ রহ. কে মুসলমান বা মুশরিকদের অপ্রাপ্তবয়স্ক সন্তানসস্তুতিদের পরিণাম সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেছিলেন। তখন তিনি চিৎকার মেরে বললেন, এটাতো ভ্রষ্ট ফেরকার লোকদের প্রশ্ন। এর সাথে তোমার কিসের সম্পর্ক? এমনিভাবে সুফিয়ান সাওরিকে মুশরিকদের শিশুদের সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল। তখন তিনি প্রশ্নকারীকে বললেন, এই শিশু! তুমি এ ব্যাপারে প্রশ্ন করছো কেন?

আমার পিতা মুফতি মুহাম্মদ শফী রহ. কে যখন এ রকম বিষয়ে প্রশ্ন করা হতো, তখন তিনি উত্তরে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর এই হাদিসটি লিখে দিতেন ‘অনর্থক কথা ও কাজ বর্জন করা ইসলামের সৌন্দর্যের একটি উপাদান’।

ইমাম মালেক রহ. এর বড় একজন ছাত্র যিয়াদ ইবনে আব্দুর রহমান আল কুরতুবী সম্পর্কে পেয়েছি তিনি কোনো এক বাদশার সাথে অনুরূপ আচরণ করেছেন। কাজী ইয়ায় তার থেকে যা বর্ণনা করেছেন, হাবীব বলেন, আমরা একবার যিয়াদের দরবারে বসা ছিলাম। তখন বাদশার পক্ষ থেকে তার কাছে একটি পত্র আসল। তখন তিনি তার কলমকে কালি দিয়ে খুব ভালোভাবে সিক্ত করলেন। তারপর তিনি জবাব লিখলেন তাতে সিল মারলেন। এরপর দূত মারফত তা পাঠিয়ে দিলেন। তারপর যিয়াদ বললেন, তোমরা কি জান আমাকে কী প্রশ্ন করেছে? সে প্রশ্ন করেছে, কিয়ামতের দিবসে আমল মাপার পাল্লা কি স্বর্ণের হবে না রূপার হবে? আমি এর উত্তরে লেখলাম, আমাদেরকে মালেক রহ ইবনে শিহাব থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন।

‘অতিসত্বর তা সামনে আসবে তখন জানতে পারবেন’।

৪- জনৈক ফকিহ থেকে বর্ণিত আছে, এমনসব মাসায়েল যা কখনো ঘটবে না, সে সম্পর্কে ফতোয়া দেওয়া নিষেধ। আমরা কিতাবের শুরুতে এমন মাসায়েল যা এখনো ঘটেনি সে সম্পর্কে কথা বলা যে সমস্ত সালফে সালেহীন অপছন্দ করতেন, তাদের কিছু বাণী এবং এ ব্যাপারে দৃষ্টিভঙ্গির ভিন্নতা উল্লেখ করেছি। সেখানে আমরা উল্লেখ করেছি যে, এই সব মাসায়েলের জবাব প্রদান ওইসব তালেবে ইলম যারা ফেকাহ অর্জন করছে তাদের পর্যন্ত সীমাবদ্ধ রাখা উচিত। আর সাধারণ লোকজনকে এইসব মাসায়েলের ব্যাপারে অনুৎসাহিত করা উচিত।

৫. বিশেষ কোনো শহর বা গোষ্ঠীর ওরফের ওপর যদি কোনো মাসআলার ভিত্তি হয় আর মুফতী সাহেব ওই শহর বা গোষ্ঠীর ওরফ সম্পর্কে অবগত না হন, তাহলে তখন মুফতি সাহেবের জন্য ফতোয়া দেওয়া থেকে বিরত থাকা উচিত। ইবনে সালাহ বলেন, আইমান ও স্বীকৃতি ইত্যাদি যা আলফাযের সাথে সম্পৃক্ত এ ব্যাপারে ফতোয়া দেওয়ার জন্য মুফতিকে ওই শব্দ উচ্চারণকারী ব্যক্তির শহরের অধিবাসী হতে হবে। অথবা তাদের শব্দের উদ্দেশ্য সম্পর্কে এবং তাদের শহরের ওরফ সম্পর্কে তাদের সমপর্যায়ের অবগতি অর্জন করতে হবে। কেননা তার অবস্থান যদি এ রকম না হয়, তাহলে ওই ক্ষেত্রে তাদের ব্যাপারে তার ভুল-ভ্রান্তি বেশি হবে। অভিজ্ঞতাই এ ব্যাপারে সাক্ষ্যি হিসেবে যথেষ্ট।

৬. ইমাম শাতিবী রহ. বলেছেন: যেসব বিষয়ে প্রশ্ন করা মাকরুহ তাঁর মধ্যে একটা হলো- জটিল ও কঠিন। মাসআলা সম্পর্কে প্রশ্ন করা। যেমন হাদিস শরিফে ধাঁধা জিজ্ঞেস করতে নিষেধ করা হয়েছে।

৭. কোনো বিধানের কারণ সম্পর্কে প্রশ্ন করা নিষেধ। কেননা বিধি-বিধানের সব কারণ বিবেক দ্বারা অনুধাবন করা যায় না। যেমন এই প্রশ্ন করা যে, মাগরিবের নামাজ তিন রাকাত হলো কেন?

৮. ইমাম শাতিবী রহ. বলেন- যেসব বিষয়ে প্রশ্ন করা নিষেধ তার আরো একটি ক্ষেত্র হলো- সালাে সালেহীনের মধ্যে যেসব বিষয়ে দ্বন্দ্ব হয়েছে সে সম্পর্কে প্রশ্ন করা। একবার ওমর ইবনে আব্দুল আযীয় রহ. কে সিফফিনের যুদ্ধ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল। তখন তিনি বলেছিলেন, ওই সব রক্তপাত থেকে আল্লাহ তাআলা আমাদের হাতকে মুক্ত রেখেছেন। সুতরাং আমি পছন্দ করছি না যে, আমার জিহ্বা এর সাথে জড়িত হোক।

৯. আল্লামা শাতিবী রহ বলেন– একগুয়েমীবশত:, আটকানোর জন্য এবং বিতর্কে জয়ী হওয়ার উদ্দেশ্যে প্রশ্ন করা উচিত নয়। কুরআন শরীফে এমন বিষয়ের নিন্দাবাদ এসেছে। আর এমন কিছু লোক রয়েছে যার পার্থিব জীবনের কথাবার্তা তোমাকে চমৎকৃত করে সে নিজের মনের কথার ব্যাপারে আল্লাহকে সাক্ষীরূপে দাঁড় করায়। প্রকৃতপক্ষে সে কঠিন ঝগড়াটে প্রকৃতির লোক।’ সূরা বকারা।

হাদিস শরিফে আছে অধিক ঝগড়াটে লোক আল্লাহ তাআলার কাছে সবচেয়ে অপছন্দনীয়। ইমাম শাতিবী রহ. বলেন, এসব বিষয়ে প্রশ্ন করা মাকরুহ। আর এগুলোর উপর অন্যান্য বিষয়কে কিয়াস করতে হবে। তবে সবক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা এক রকম নয়। বরং কোথাও অপছন্দনীয়তার মাত্রা বেশি কোথাও কম আবার কোথাও তা হারাম পর্যায়ভূক্ত। আবার কিছু কিছু ক্ষেত্র এমন যা নিয়ে বিতর্ক হতে পারে।

الرجوع عن الفتوى

প্রদানকৃত ফতোয়া প্রত্যাহার করা
যদি ফতোয়ায় ভুল প্রকাশ পায় তাহলে সে ফতোয়া প্রত্যাহার করা এবং এ ব্যপারে লজ্জিত না হওয়া আবশ্যক। হযরত ওমর ইবনুল খাত্তাব রাযি. হযরত আবু মুসা আশআরী রাযি. কে সম্বোধন করে বলেছিলেন: মনে করো, গতকাল তুমি কোনো সিদ্ধান্ত নিয়েছ তারপর চিন্তা-ফিকির করে এর বিপরীতটাকে সঠিক হিসেবে পেয়েছো, তখন যেন তোমার এই গতকালের সিদ্ধান্ত তোমাকে হকের দিকে ফিরে আসতে বাধা না দেয়। কেননা হক তো চিরন্তন। আর হককে কোনো জিনিস বাতিল করতে পারে না। আর হকের দিকে ফিরে আসা বাতিলের ওপর অটল থাকার চেয়ে উত্তম।

জ্ঞান অর্জন না করে ফতোয়া প্রদান অনুচিত। এ বিষয়ে আরও জানতে চাইলে এখানে > ক্লিক করুন

সূত্র: উসূলে ইফতা

amarishtihar

প্রতিদিন নতুন কিছু জানুন।

One thought on “কখন ফতোয়া প্রদান থেকে বিরত থাকা উচিৎ? জ্ঞান অর্জন না করে ফতোয়া প্রদান!

Leave a Reply

Your email address will not be published.